Published : 09 Jul 2026, 05:35 AM
মেক্সিকো এক বিশাল ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে এনেছে! ইকুয়েডরের বিপক্ষে এই দুই গোল ব্যবধানে জয়টি ছিল এক বিশাল মাইলফলক, কারণ এটি ছিল নকআউটের 'অভিশাপ' কাটাতে ৪০ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। সিটি স্টেডিয়ামে বহু তরুণ ফুটবলার এই জয়ের সাক্ষী। মেক্সিকোর অভিজ্ঞ সমর্থকরা বলছেন, বুলগেরিয়ার বিরুদ্ধে চার দশক আগের সেই জয়ের স্মৃতি আজও তাদের মনে সতেজ। বিশ্বকাপের নকআউটে এত দিন এটাই ছিল মেক্সিকোর শেষ সাফল্য। এই ম্যাচে মেক্সিকো তাদের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা মুছে ফেলে।
প্রথমার্ধে তারা ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে এগিয়ে রাখে এবং পরের অর্ধে বিদায় নিশ্চিত করে। অবাক করা বিষয় হলো, যদিও মেক্সিকো বলের দখলে কিছুটা কম ছিল, তবুও তারা অত্যন্ত কার্যকরভাবে ফুটবল খেলেছে। ১৪টি শটের মধ্যে ৩টি পোস্টে তারা গোল ঘটাতে সক্ষম হয়। প্রথম গোলটি আসে কিনিয়োনেসের কাছ থেকে, আর দ্বিতীয়টি আসে উইঙ্গার এবং রাউল হিমিনেজের দুর্দান্ত ফিনিশিং থেকে। ম্যাচের সময় ইকুয়েডর সমর্থকদের কষ্ট আরও বাড়ে যখন এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের সময় সেন্টারব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।
বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর ম্যাচটি শুরু হয়। এই জয় মেক্সিকোর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই ম্যাচে ১৭ বছর বয়সী গিলবার্তো মোরা, যিনি ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নকআউটে সুযোগ পেয়েছিলেন, তিনি একাদশে সুযোগ পেয়ে ইতিহাস গড়েন। এই জয় মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করল।।
লাল কার্ডের রহস্যে কি ট্রাম্পের দ্বারস্থ হবেন কেইন? ফুটবল বিতর্কে নতুন মাত্রা